Sponsored

মুসলিম সন্তানদের দ্বিনি শিক্ষায় শিক্ষিত করা অভিভাবকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব


 


শিরোনাম: মুসলিম সন্তানদের দ্বিনি শিক্ষায় শিক্ষিত করা অভিভাবকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব

সংবাদ প্রতিবেদন:
বর্তমান সমাজে মুসলিম মাতা-পিতাদের এক বড় দায়িত্ব হলো— সন্তানদের দ্বিনি শিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তোলা। ইসলামি শরিয়তের দৃষ্টিতে এটি শুধু একটি দায়িত্ব নয়, বরং একটি ফরজ আমল। কেননা, একজন সন্তান যখন ধর্মীয় জ্ঞান ও নৈতিকতা থেকে বঞ্চিত হয়, তখন সে সহজেই ঈমানহারা, পথভ্রষ্ট ও নীতিহীন জীবনের দিকে ধাবিত হতে পারে।

সমস্যার মূল শিকড় জাগতিক শিক্ষার একচেটিয়া প্রবাহে:
আজকের সমাজে দেখা যায়, অধিকাংশ মুসলিম পরিবার সন্তানের ভবিষ্যৎ গড়ার কথা ভেবে শুধুমাত্র জাগতিক শিক্ষার পেছনে সময়, অর্থ ও পরিশ্রম ব্যয় করছে। অথচ সেই সন্তান যদি ঈমান, নামাজ, রোজা, হালাল-হারাম, ও আদব-কায়দা না জানে— তাহলে সে কীভাবে একজন পূর্ণাঙ্গ মুসলমান হিসেবে জীবন যাপন করবে?

দ্বিনি শিক্ষা ছাড়া ইসলামি জীবন অসম্ভব:
ইসলামের মৌলিক শিক্ষা হলো— জীবনকে আল্লাহর বিধান অনুযায়ী পরিচালনা করা। আর তা সম্ভব একমাত্র দ্বিনি শিক্ষার মাধ্যমেই। নামাজ-রোজা, সত্যবাদিতা, ধৈর্য, আমানতদারি, পর্দা, আদব, কুরআন শিক্ষা— এসবই দ্বিনি শিক্ষার অংশ, যা শিশুকাল থেকেই শিক্ষায় অন্তর্ভুক্ত করা জরুরি।

দ্বিনি শিক্ষা ছাড়া প্রজন্ম বিপথগামী:
বর্তমানে অনেক যুবক ও কিশোর-কিশোরী ধর্মীয় মূল্যবোধ না জেনে কুফরি কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে, অশ্লীলতা ও বেহায়াপনায় লিপ্ত হচ্ছে— যার একটি বড় কারণ দ্বিনি শিক্ষার অভাব।

সমাধান কী?
প্রতিটি মুসলিম পরিবারে দ্বিনি শিক্ষার চর্চা জোরদার করতে হবে। সন্তানদের কুরআন শিক্ষা, হাদিস পাঠ, নামাজ শিক্ষা ও ইসলামি নৈতিকতা শেখানো প্রত্যেক অভিভাবকের দায়িত্ব। স্কুলের পাশাপাশি মসজিদ-মাদরাসায় পাঠানো, ইসলামী বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং ধর্মীয় পরিবেশ তৈরি করা অত্যন্ত প্রয়োজন।

উপসংহার:
মুসলিম সন্তানকে শুধুমাত্র ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার বা সফল পেশাজীবী নয়— বরং একজন দ্বীনদার, নীতিবান ও আল্লাহভীরু মানুষ হিসেবে গড়ে তোলাই প্রকৃত সাফল্য। আর এটি সম্ভব দ্বিনি শিক্ষা ও ধর্মীয় মূল্যবোধের মাধ্যমে। ইসলামি সমাজ গঠনের জন্য আজই আমাদের দ্বিনি শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

all bd news

Post a Comment

0 Comments